দিবসের নামে বর্তমান এই অপসংস্কৃতির প্রভাব স্কুল-কলেজের সাথে মসজিদ মাদ্রাসা গুলোতেও বিস্তার লাভ করছে। যা খুবই দুঃখজনক।

সবাই সজাগ হওয়া দরকার। কিছু কওমি মাদ্রাসার ছাত্র যারা মাদ্রাসার ফি আদায় অপারগ তারা আবার শিক্ষক দিবসে হাজার হাজার টাকার উপহার প্রস্তুত করে।

কেউ প্রশ্ন করতে পারে পুরো বছরে একদিন তো আসেই। এ নিয়েও এত তুলপাড় কেন? তাদের জন্য প্রশ্ন হল শিক্ষক দিবসে শিক্ষকের উপর স্প্রে বর্ষণ, ডিজের গুঞ্জন, রাধাকৃষ্ণের মূর্তির আসন, আরো কত গান বাজনা এসব বস্তুর শিক্ষক দিবসের সাথে কি সম্পর্ক?

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার যে বেহাল অবস্থা বিশেষত প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোর যা কল্পনা করা যায় না। সংস্কৃতি আর দিবসের নামে বেহায়াপনার এই জোয়ার কাউকে হয়তো ছাড়বে না। তাই সময় থাকতে কথা বলুন।
শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

দ্বীনি কোনো প্রশ্ন আছে?

আমাদের শরয়ী সমাধান বিভাগে আলেমগণ সরাসরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রশ্ন করুন
সব আর্টিকেল
দান করুন